
গলাচিপা প্রতিনিধি:
গলাচিপার কলাগাছিয়া ইউনিয়নে জালিয়াতি করা কাগজপত্রের মাধ্যমে
মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি টাকা অবৈধভাবে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালীর গলাচিপার একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এই অন্যায়ের প্রতিবাদ ও সত্য প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ তছলিম আহমেদকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে এবং জালিয়াতি চক্রের বিচার দাবিতে পটুয়াখালীর গলাচিপা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এর সুষ্ঠু ও সত্যতা তদন্তের স্বার্থে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI), পটুয়াখালী-কে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।মামলার বিবরণ ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটমামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার ৯নং কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও পেশায় সাংবাদিক মোঃ তছলিম আহমেদ (৪৯) বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মোঃ ইসমাইল ও রফিকুল ইসলাম নামের দুই ব্যক্তিকে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সাজিয়ে সরকারের বিপুল পরিমাণ টাকা অবৈধভাবে আত্মসাৎ করেছেন প্রধান আসামি মোঃ সেলিম মুন্সী ও তার পরিবারসহ চক্রের সদস্যরা।এই জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় এবং সাংবাদিক তছলিম আহমেদ এর প্রতিবাদ করায় আসামি সেলিম মুন্সী ও তার দলবল সাংবাদিককে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি প্রদান করে। চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে অবশেষে আইনের আশ্রয় নেন এই সংবাদকর্মী।মামলার মূল তথ্যাদি এক নজরে:আদালত: বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গলাচিপা, পটুয়াখালী।মামলা নং: সি.আর- ২২২/২০২৬বাদী: মোঃ তছলিম আহমেদ (৪৯), পেশা: সাংবাদিক (সাং- কলাগাছিয়া, ২নং ওয়ার্ড)।প্রধান আসামিগন: মোঃ সেলিম মুন্সী (৫৫), মোঃ মনির হোসেন (৪২), সীমা বেগম (৩৮) সহ মোট ১০ জন।সংশ্লিষ্ট আইনী ধারা: দণ্ডবিধির ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯/১১৪/৩৪ (জালিয়াতি, ভুয়া নথি তৈরি ও প্রতারণা সংক্রান্ত)।বর্তমান অবস্থা: মামলাটি বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ায় চলমান এবং তদন্তভার পিবিআই (PBI), পটুয়াখালী-কে দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন