
নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী:
দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ এ প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া ভূমি অফিসের কর্মরত মিহির কুমার।
কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।
পটুয়াখালী শহরের পুরান বাজার বণিক পট্টির স্থায়ী বাসিন্দা মিহির কুমার ২০০৭ সালে গ্রামীণ ব্যাংক এবং ২০০৯ সালে ডানিডায় (DANIDA) সফলভাবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০১১ সাল থেকে ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন।
সম্প্রতি ফেইসবুকে প্রকাশিত সংবাদে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিলাসবহুল বাড়ির যে তথ্য আনা হয়েছে, সে বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে গেলে বিষ্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিহির কুমার। তথাকথিত ‘বিলাসবহুল’ বাড়ির বিষয়ে সত্যতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমার মামার কাছ থেকে দান সূত্রে প্রাপ্ত মাত্র ১.৬০ শতাংশ জমিতে আমাদের এই বসতবাড়ি।
এছাড়া আমার প্রয়াত বাবা একজন শিক্ষক ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ৮ লাখ টাকাও আমরা নিয়ম মেনে পরিবারে কাজে লাগিয়েছি। চাকরিজীবী ও শিক্ষকের সন্তান হিসেবে এইটুকু জমি ও ঘর থাকা কি অপরাধ বা অস্বাভাবিক কিছু?”
পত্রিকায় নিজের ভাইয়ের সাক্ষাৎকার প্রকাশের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে জানান, তাঁর ভাই হৃদরোগে আক্রান্ত এবং তাঁর হার্টে ৩টি রিং পরানো রয়েছে। একজন গুরুতর অসুস্থ মানুষের অনিচ্ছাকৃত বা অসচেতন কোনো মন্তব্যকে তাঁর নিজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়।
সংবাদটির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে মিহির কুমার বলেন, “একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে এই অপপ্রচার চালিয়েছে। সংবাদ প্রকাশের আগে আমার কোনো সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়নি, এমনকি আত্মপক্ষ সমর্থনের সামান্য সুযোগও দেওয়া হয়নি। ঘুষ বা দুর্নীতির কোনো বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ ছাড়া এমন কাল্পনিক প্রতিবেদন প্রকাশ চরম অমানবিক।”
কী কারণে সাংবাদিকরা তাঁর ওপর মনক্ষুণ্ন হয়ে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন করেছেন, তা তাঁর বোধগম্য নয় বলে জানান তিনি। এই মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তুলে ধরার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন মিহির কুমার।
একইসঙ্গে এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
মন্তব্য করুন