
জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
সরকারি খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির চাল ও আটা নিয়ে চালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে। সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের মুখে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ হেসে হেসে মন্তব্য করেন—“সবাই মিলেমিশে খাই”। মুহূর্তেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ঘটনাক্রমের জেরে স্থানীয় অনিয়মের অভিযোগটি রাতারাতি জাতীয় রূপ নেয়। বিষয়টি নজরে আসার পর খাদ্য অধিদপ্তর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট তিন খাদ্য কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কালাই উপজেলায় ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ২ টন চাল ও ২ টন আটা বরাদ্দ থাকে। প্রতি সুবিধাভোগীর ২৭০ টাকায় ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা পাওয়ার কথা।
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, কেবল সাময়িক বরখাস্তেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকছে না:
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রতিটি দানা চাল ও আটা দেশের দরিদ্র মানুষের অধিকার। কোনো কর্মকর্তার একটি খামখেয়ালি বক্তব্য বা বরখাস্তের নোটিশেই এই ব্যাধির স্থায়ী চিকিৎসা সম্ভব নয়। দুর্নীতি রুখতে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন:
পাবলিক ফান্ড কিংবা গরিবের চাল-আটা নিয়ে নয়ছয় বন্ধ করতে স্বচ্ছতা ও কঠোর জবাবদিহিতার কোনো বিকল্প নেই।
#Corruption #FoodSecurity #OMS #PublicFund #Transparency #Accountability
মন্তব্য করুন