বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুর ও অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের বিয়ের প্রায় চার বছর হতে চলল। এখন শ্বশুরবাড়িতে শাশুড়ি ও ননদকে সঙ্গে নিয়ে একবাড়িতেই আছেন আলিয়া ভাট। তবে ভবনের ফ্লোর আলাদা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে শাশুড়ি নীতু বলেন, আলিয়ার সঙ্গে তার প্রায় সময়েই ঝগড়া লেগে থাকে। তবে এক বাড়িতে থাকলেও তিনি ছেলে-বউমার সংসারে দখলদারি করেন না।
এমনকি তাদের ঘরেও কোনো সময় ঢোকেন না। নীতু বলেন, আমি ওদের গোপনীয়তাকে সম্মান করি। আমি যখন-তখন ওদের ঘরে ঢুকে পড়ি না। রাহা যখন সময় পায়, আমার কাছে আসে। আমি নিজে থেকে যাই না। ছেলেমেয়েদের বিয়ে হয়ে গেলে তাদের নিজেদের মতো ছেড়ে দিতে হয়। মেয়ে ঋদ্ধিমার বিয়ের পর ঋষিজিকেও এটাই বলেছিলাম যে, মেয়েকে যেন যখন-তখন ফোন না করে বসেন। কিন্তু ঋষিজি শোনেননি। তিনি জেদি ছিলেন। কিন্তু আমি ছেলে-বউমার সংসারে অযাচিতভাবে ঢুকে পড়তে চাই না।
রাহার বাবা-মা রণবীর-আলিয়া। নীতু বলেন, মা হিসাবে আলিয়া বড্ড কড়া। মেয়ে মাকে বড্ড ভয় পায়। আলিয়া রাহাকে চকলেট খেতে দেয় না, টিভি দেখতে দেয় না। অনেক বিধিনিষেধ করেন।
যদিও আলিয়া ভাট মেয়েকে সব ঠিক জিনিসই শেখাচ্ছে, ঠিক শিক্ষা দিচ্ছে। তবু ঠাকুরমা হিসাবে আমার তো ইচ্ছা করে ওকে একটু মিষ্টি খাওয়াই, চকলেট দিই। আলিয়ার সেটা পছন্দ নয় বলে জানান নীতু কাপুর। ও খালি বলবে— চিনি খাওয়া ঠিক না। তাই আমাদের ঝগড়া চলতেই থাকে। এর পাশাপাশি নীতু আরও বলেন, ছেলে রণবীর অবশ্য রাহার বন্ধুর মতো। দুজনে একে অপরের সঙ্গে খেলাধুলা করে সময় কাটায়।
নিখোঁজ প্রবাসী মোঃ রুবেল মুন্সিকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : সিকদার সোহেল ।
মোঃ রুবেল মুন্সি নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি গত আনুমানিক ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি সর্বশেষ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থান করছিলেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না, যা নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে, যেন তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিখোঁজ সংক্রান্ত তথ্যটি ব্যাপকভাবে শেয়ার করেন এবং যার কাছে কোনো তথ্য রয়েছে, তিনি দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
স্বজনদের আশা, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে মোঃ রুবেল মুন্সির সন্ধান পাওয়া যাবে এবং তিনি দ্রুত পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরে আসবেন।
যদি কোনো ব্যক্তি মোঃ রুবেল মুন্সির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত পরিবারের সদস্যদের অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলাদেশ তদন্ত. All rights reserved.