

নিজস্ব সংবাদদাতা:
সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউপি সচিব আমির হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা স্থানীয়দের নিজস্ব প্রতিবেদক | সাভার, ঢাকা সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আমির হোসেনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রশাসনিক পরিবর্তন এলেও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে এখনও দায়িত্ব পালন করছেন আমির হোসেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনের সময় তিনি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব খাটিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যক্তিস্বার্থে ক্ষমতা ব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়রা।
এছাড়া স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অপসারণের বিষয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বিষয়টি নিয়েও এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমির হোসেনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।তারা অভিযোগ করেন,সম্পত্তির ধরণ বিবরণ ও অবস্থান সাভার ভাগুতা দুদু মার্কেটর রয়েছে নিজস্ব
বিলাসী জীবনযাপন ব্যক্তিগত দুইটি বাড়ি
সার্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মী (গার্ড) নিয়োজিত রাখা সহ তার পারিবারিক জীবনযাত্রার ব্যয় কোনো শীর্ষ ধনকুবেরের চেয়ে কম নয়। যদি অবৈধ সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা প্রশাসনিক অনিয়মের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।এ বিষয়ে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আমির হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ প্রবাসী মোঃ রুবেল মুন্সিকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : সিকদার সোহেল ।
মোঃ রুবেল মুন্সি নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশি গত আনুমানিক ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি সর্বশেষ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থান করছিলেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না, যা নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।
নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরিবারের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশি ভাইদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে, যেন তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিখোঁজ সংক্রান্ত তথ্যটি ব্যাপকভাবে শেয়ার করেন এবং যার কাছে কোনো তথ্য রয়েছে, তিনি দ্রুত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
স্বজনদের আশা, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে মোঃ রুবেল মুন্সির সন্ধান পাওয়া যাবে এবং তিনি দ্রুত পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরে আসবেন।
যদি কোনো ব্যক্তি মোঃ রুবেল মুন্সির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত পরিবারের সদস্যদের অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
Copyright © 2026 দৈনিক বাংলাদেশ তদন্ত. All rights reserved.